ই-মেইল (E-mail) প্রযুক্তি কি

কম্পিউটারকে অনলাইনে থাকার প্রয়োজন হয় না শুধু মাত্র একটি সচল ই-মেইল সার্ভারে থাকলেই হবে।

ই-মেইল (E-mail)-ই-মেইল হল  ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic Mail) এর সংক্ষিপ্ত রূপ । এর কাজ হচ্ছে একটি কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে বা ফ্যাক্স মেশিনে তথ্য পাঠানো ।

ই-মেইল ঠিকানা(E-mail Address)

ইলেক্ট্রিক মেইল

ই-মেইল ঠিকানা হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করার একটি পরিচয় । যেমনভাবে কারো নিকট কোন চিঠি পৌছাতে হলে তার একটি পোস্টার ঠিকানা থাকা প্রয়োজন তেমনি কেউ ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করতে তার একটি E-mail  ঠিকানা থাকা জরুরি ।

এ ঠিকানা  User name@Domain নিয়ে গঠিত হয় । যেমন : zabbar@bdlink.com.bd একটি E-mail ঠিকানা । লক্ষণীয় যে E-mail ঠিকানা চিহ্ন (at sign) দ্বারা দুইভাগে বিভক্ত। প্রথমভাগে অথাৎ চিহ্নের আগের অংশে  User name অথাৎ ব্যবহারকারীর ঠিকানা থাকে ।

E-mail ঠিকানায় চিহ্নের পরের অংশটি হলো Domain name ।ডোমেইন নেইম (.) চিহ্ন দ্বারা কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয় । চিহ্নের পরের প্রথম শব্দটিকে হোস্ট মেশিনের নেম বলা হয় । উক্ত ঠিকানা bdlink হল হোস্ট মেশিনের নেম । ১৯৭২ সালে ইমেইল ঠিকানায় সবপ্রথম চিহ্ন (at sign) ব্যবহ্ত হয় ।

ই-মেইল সাভার (E-mail server)

ই-মেইল সাভার বা সংক্ষেপে মেইল সাভার হল নেটওয়াকের একটি কম্পিউটার যা ভাচ্যুয়াল পোস্ট অফিস হিসেবে কাজ করে । মেইল সাভারে POP বা IMAP এবং STMP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয় ।

POP: POP এর পূণরূপ হল Post office Protocol। ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে  আসে সেগুলোকে অন্তমুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয় । মেইল সাভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জণ্য সবাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3 ।

SMTP: SMTP এর পূণরূপ হল Single Mail Transfer Protocol । যে সকল মেইল বাহিরে পাঠানো হয় সেগুলোকে বহিমুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয় । আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই  প্রোটোকল ব্যবহার করা হয় ।

ই-মেইল পাঠানো

 Cc: এর ঘরে সে সমস্ত ঠিকানা টাইপ করতে হয় যাদের বরাবর প্রেরক ই-মেইল কপি পাঠাতো চায় । এখানে ই-মেইল ঠিকানাগুলো পরপর কমা দিয়ে টাইপ করতে হয়  Cc  দিয়ে Carbon copy বুঝায় ।

Bcc: এর ঘরে সে সমস্ত ঠিকানা টাইপ করতে হয় যাদেরকে প্রেরক ই-মেইল কপি পাঠাতে চায় কিন্তু প্রাপকদের জানাতে চায় না কাকে এর কপি পাঠানো হয়েছে । Cc এবং Carbon এর কাজ প্রায় একই রকম তবে Cc তে যাদের উল্লেখ থাকে ই-মেইলর প্রাপক ডকুমেন্টের পেয়ে বুঝাতে পারে কাকে কাকে এর কপি প্রেরণ করা হয়েছে ।

কিন্তু  Bcc তে  টাইপ করা ঠিকানাসমূহ ডকুমেন্টের সাথে যাবে না । ফলে প্রাপক জানতে পারবে না কাদেরকে ই-মেইলের কপি পাঠানো হয়েছে । Bcc হলো Blind carbon copy।

অ্যাটাচমেন্ট (Attachment)

অ্যাটাচমেন্ট ই-মেইল ম্যাসেজের অংশবিশেষ । একটি আলাদা ফাইল ই-মেইলের সাথে সংযুক্ত করে পাঠানো হলে তাকে বলা হয় অ্যাটাচমেন্ট । অ্যাটাচমেন্ট ফাইল বিভিন্ন রকমের হতে পারে ।যেমন –ওয়াড ডকুমন্টে, ওয়াকসিট ,ছবি ,পাওয়ারপয়েন্ট ফাইল ইত্যদি ।

Spam: ভুয়া  এবং অযাচিত মেইল এখানে জমা হয় ।

ওয়েব মেইল (Web mail)বা ওয়েব বেজড মেইল (Web based mail)

জিমেইল (Gmail) ইয়াহুমেইল (Yahoomail) হটমেইল (Hotmail) এওএলমেইল (AOLmail)

ই-কমাস বা ইলেকট্রনিক কমাস ()

ই-কমাস বা ইলেকট্রনিক কমাস একটি আধুনিক ব্যবসা পদ্ধতি । আধুনিক ডেটা প্রসিসং এবং কম্পিউটার নেটওয়াক বিশেষত ইন্টারনেটর মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা মাকেটিং ,বিক্রয়,ডেলিভারী ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি করাই হচেছ ই-কমাস ।

ই-কমাস এবং ই-বিজনেসর মধ্যে পাথক্য

ডিজিট্ল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাণিজ্যিক লেনদেন করাকে ই-কমাস বলা হয় । ডিজিটাল প্রযুক্তি নিভর বাণিজ্যিক লেনদেন বলতে কোন প্রতিষ্ঠান ও অন্য প্রতিষ্ঠানরে মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠান ও কোন ব্যক্তির মধ্যে কিংবা কোন ব্যক্তি ও অন্য ব্যক্তির মধ্যে

ডিজিটাল টেকনোলজির মধ্যস্হতায় পণ্য ও সেবায় বিপরীত অথ লেনদেন করাকে বুঝায় । ই-বিজ্ঞানেস বলতে কোনো প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণাধীন আধুনিক ইনফরমেশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *