মাইক্রোপ্রসেসর এর গঠন ও কাজ

মাইক্রোপ্রসেসর গঠন কৌশল এবং কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে মাইক্রোপ্রসেসর সম্পর্ক ।

মাইক্রোপ্রসেসরকে সব হয় কম্পিউটারের প্রাণ-ভোমরা । একটি কম্পিউটার সাবিক কাযক্রম পরিচালনায় কতটা ক্ষমতাশালী তার অনেকাংশই আচ করা যায় মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা বিচার  করে ।

অবশ্যই ক্ষমতার এই বিষয়ের সাথে কম্পিউটারের অন্যান্য ডিভাইসগুলোরও ভূমিকা আছে । কিন্তু কম্পিউটারের ক্ষমতার বিচার করতে গেলে ওই সকল ডিভাইসের বিষয় বিবেচনায় আসে মাইক্রোপ্রসেসরের পরে ।

মাইক্রোপ্রসেসরকে কেন্দ্র করে কম্পিউটিং সুবিধা লাভের জন্য যে কম্পিউটার তৈরি করা হয় তাকে মাইক্রো-কম্পিউটার বলে । যদিও একালের ক্যালকুলেটর থেকে সুপার কম্পিউটার পযন্ত সবত্রই মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহত হচ্ছে ।

তারপরেও মাইক্রো-কম্পিউটার বলতে ডেস্কটপ পিসি ,ল্যাপটপ,পামটপকেই বুঝানো হয়ে থাকে । পূববতী পাঠগুলোতে আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি কেস (পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটসহ) ও মাদারবোডের সাথে ।

কম্পিউটার সংযোজনের ক্ষেত্রে ওই দুটি ধাপ অতিক্রম করে একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে । এই পাঠে এসে মাইক্রোপ্রসেসর সংযুক্ত করে আর একটি ধাপ সম্পন্ন করবো । মাইক্রোপ্রসেসর সংযোজনের সাথে কেসের কোন সম্পক নেই ।

কিন্তু গভীর সম্পকে রয়েছে মাদারবোডের সাথে । তাই এই অধ্যায় শেষে দেখবেন মাদারবোডের আরও অনেক অজানা দিক সম্পকে জানা হয়ে গেছে । এই পাঠের প্রথমেই আমি মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়েদেব ।

এর পরে দেখাবো কিভাবে মাদারবোডের সাথে মাইক্রোপ্রসেসর সংযুক্ত করতে হয় এটি একটি সিঙ্গল চিপ বিশেষ । কম্পিউটারের কাযক্রম নিয়ন্ত্রণে এটি কেন্দ্রিয় অংশ হিসাবে কাজ করে ।

মাইক্রো কম্পিউটারের ক্ষেত্রে একে বলা হয় CPU (Central Processing Unit) । এর মূল উপাদান হলো ট্র্যানজিস্টার ,রেজিস্টেপ ও ক্যাপাসিটর । বতমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে প্রায় লক্ষাধিক ট্র্যানজিস্টর এবং সেই সাথে আনুষঙ্গিক রেজিস্টেপ ও ক্যাপাসিটর ব্যবহৃত হয় ।

মাইক্রোপ্রসেসরকে কেন্দ্র করে কম্পিউটিং সুবিধা লাভের জন্য যে কম্পিউটার তৈরি করা হয় তাকে মাইক্রোকম্পিউটার বলে । মাইক্রোপ্রসেসর হলো অত্যন্ত জটিল ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ।

মাইক্রোপ্রসেসর থাকে মাদারবোডের সাথে সংযুক্ত অবস্হায় । প্রথম  দিকের সুপার কম্পিউটার মেইনফ্রেম ও মিনিকম্পিউটার পুরো মাদারবোড জুড়ে প্রসেসিং ইউনিটগুলো ছড়ানো থাকতো ।

তখন পুরো মাদারবোডকেই সিপিউই বলা হতো । ক্রমে ক্রমে এই ছড়ানো ছিটনো অংশগুলো একটি বিশাল অংশকে একটি চিপের অন্তভূক্ত করা হয় । ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইন্টের প্রথম এর একটি আদশ রূপ দিতে সমথ হয় তাদের ৪০০৪ প্রসেসর প্রসেসরের মাধ্যমে ।

ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বলা হয় । মাইক্রোপ্রসেসরের মূল উপাদান হলো ট্র্যানজিস্টর, রেজিস্টেপ ও ক্যাপাসিটর । এ সকল উপাদানের মাধ্যমে বিশেষ উদ্দেশ্য তৈরি হয়ে থাকে এক একটি ছোট ছোট ইউনিট ।

এই সকল উইনিটকে বলে চিপ । আর একাধিক চিপের কাযক্রমকে যখন একটি ইউনিটের মধ্যে এনে একটি প্যাকেটের রূপ প্রদান করা হয় তখন এই প্যাকেটটি বহু উদ্দেশ্যকে সম্পাদন করতে সক্ষম হয় ।

এই জাতীয় কাযক্রম ক্ষমতাই হলো LSI(Large Scale Integration ) ক্ষমতা । মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর নিভর এই প্যাকেটকে তাই বলা হয় একটি একক চিপ বা সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসর ।

মাইক্রোপ্রসেসর যে কাজই করুক তার জন্য স্মৃতি ভাণ্ডারের প্রয়োজন পড়ে । কম্পিউটারের সকল মেমোরি ব্লক এক জায়গায় কেন্দ্রিভূত অবস্হায় থাকে না । মাইক্রোকম্পিউটারে বিভিন্ন সেকশনো বিভাজিত অবস্হায় মেমোরি থাকে । এই সেকশানগুলো হলো র‌্যাম,রম,হাডডিস্ক সিডিরম ইত্যাদি ।

তবে মাইক্রোকম্পিউটারের নিজস্ব বা সিসটেম মেমোরি হিসাবে বিবেচনা করা হয় র‌্যাম ও রমকে । অন্যন্যা মেমোরি (হাডডিস্ক, সিডিরম ইত্যাদি) বা অন্যান্য ডিভাইসের সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে যোগাযোগ গড়ে উঠে অপর একটি ইউনিট ‍ুদ্বারা । এই ইউনিটকে বলা হয় ইনপুট/ আউটপুট ইউনিট ।

ইন্টেলের ৮০৪৮ প্রসেসরে প্রসেসিং ইউনিট মেমোরি ইউনিট এবং আই/ও ইউনিট যুক্ত ছিল । বতমানে এ দুটো ইউনিটকে প্রসেসর থেকে পৃথক করে আলাদা ইউনিট হিসাবে স্হান দেওয়া হয় । কিন্তু সকল মাইক্রোকম্পিউটারের মৌলিক বিন্যাস একই রীতিকে অনুসরণ করে থাকে ।

আগেই বলেছি যে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে বিভিন্ন ‍ুকাজের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের চিপ । কাজের প্রকৃতির উপর নিভর করে এর ভিতরের চিপগুলোকে বিভিন্ন ইউনিটে ভাগ করা হয়ে থাকে । এই ইউনিটগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় । এই ভাগ তিনটি হলো- রেজিস্টার অংশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *